বিসমিল্লাহহির রাহমানির রাহিম
                                                                 “গঠনতন্ত্র”
ধারা-১ঃ        সংঘের নামঃ সেন্টার ফর অকুপেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন ( কোর)।
ধারা-২ঃ       সংঘের ঠিকানাঃ বাড়ী-৫, সড়ক-৮, সেক্টর-৪, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা।
ধারা-৩ঃ      সংঘের কার্যা এলাকাঃ ঢাকা জেলা। পরবর্তীতে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষে অনুমোদনক্রমে                                    বাংলাদেশ  ব্যাপী কার্যক্রম  সম্প্রসারণ করা যাবে।
                                                      ধারা-৪ঃ    সংঘের ধরণ
            এটি একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ মূলক সংঘ। এক বা                        একাধিক বিষয়ের বা বিভিন্ন কার্যক্রমের সমন্বয়ে সমাজ কল্যাণমূলক ও মানব হিতৈষী সংঘ।
ধারা-৫ ঃ    সংঘের বিস্তারিত লক্ষ্য উদ্দেশ্যঃ
    কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে নি¤েœাক্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করবে।
ধারা-৫.১।    এলাকার সকল মানুষের সার্বিক মঙ্গল সাধন করা। এলাকার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা, বৃক্ষ রোপন, জনসয়খ্যা সীমিতকরণের লক্ষ্যে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম পরিচালনা এবং সামাজিক, শারীরিক ও মানসিক বিষয়ে সকল ধরণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা।   
ধারা-৫.২।    নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও জীবন ভিত্তিক শিক্ষার জন্য শিশু প্রাপ্ত বয়স্ক ও অসমর্থ ব্যক্তিদেও জন্য শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমের ব্যবস্থা করা। 
ধারা-৫.৩।    দরিদ্র  ও অসহায় মুক্তিযোদ্ধা/বিরাঙ্গনাদেও কল্যাণ ও পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।
ধারা-৫.৪।    মরণব্যাধি এইচ. আই. ভি/এইডস এর ভয়াবহতা প্রতিরোধ গণ-সচেতনতা করা।
ধারা-৫.৬।    প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানবতা সেবা দান ও পুনর্বাসন এবং চিকিৎসার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ কওে সরকারের সাথে সহযোগিতা করা।
ধারা-৫.৭।    এতিম ও গরীব ছাত্র ছাত্রীদেও মাঝে বৃত্তি প্রদান এবং শিক্ষা উপকরণসহ আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা করা।
ধারা-৫.৮।    মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য প্রকল্প পরিচালনা করা।
ধারা-৫.৯।    সমাজের বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ ও নারী নির্যাতনরোধসহ যৌতুক প্রথা উচ্ছেদ করার বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা। নির্যাতিত, তালাকপ্রাপ্ত, সহায় সম্বলহীন নারীদেও পাশে থেকে আইনী সহযোগিতা প্রদান করা, তাদেও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
ধারা-৫.১০।    বয়স্ক, শারীরিকভাবে অক্ষম এবং মানসিক প্রতিবন্ধীদেও জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র ও শিশু কেন্দ্র স্থাপন করা।
ধারা-৫.১১।    মাদকের কুফল ও অপব্যবহার সম্পর্কে জনগনকে সচেতন করা এবং পুনর্বাসন করা।
ধারা-৫.১২।    বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন কারিগরী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
ধারা-৫.১৩।    চিকিৎসা সহায়তা, ওষধ ও সরঞ্জমাদি সরবরাহ, চিকিৎসা দিক নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা ও স্যানিটেশন।
ধারা-৫.১৪।    অসহায় দুঃস্থদের হস্তশিল্প প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উপার্জনক্ষম করা।
ধারা-৫.১৫।    দুঃস্থ ও বিধবা মহিলাদের উপার্জনক্ষম করার জন্য সেলাই মেশিন, হাঁস-মুরগি, ছাগল ইত্যাদি সরবরাহ করা।
ধারা-৫.১৬।    খাদ্য ও কৃষিপণ্য সামগ্রি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে সহায়তা করা।
ধারা-৫.১৭।    কন্যাদায় গ্রস্থ পিতাকে সহায়তা দান, মৃতের সৎকারের ব্যবস্থা করা।
ধারা-৫.১৮।    অসহায় দুঃস্থদের মাঝে শীত বস্ত্র প্রদান এবং পবিত্র ঈদ-উল ফিতর ও ঈদ-উল আযহা উদযাপনে খাদ্য সামগ্রী অথবা আর্থিক সহায়তা প্রদান।
ধারা-৫.১৯।    পরিবেশ উন্নয়ন ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা, বনায়ন, উপকারী কীটপতঙ্গ ও জীবাণু উন্নয়ন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ কল্পে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা ও সহায়তা দান।
ধারা-৫.২০।    গরীব অসহায় শিশুদের শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করা।
ধারা-৫.২১।    দেশের জনগোষ্ঠীকে তাদের জ্ঞান গর্ভ ও স্ব স্ব ধর্মীয় পুস্তক পাঠে আগ্রহ সৃষ্টি করা।
ধারা-৫.২২।    কার্যক্রমের সুবিধার্থে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা। সরকারী ও বেসরকারী সকল সংঘের সাথে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সম্পর্ক স্থাপন। গবেষণা, সভা, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা, উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।
ধারা-৬ঃ    সদস্যপদঃ
ধারা-৬.(ক)    সদস্য পদের যোগ্যতাঃ
    প্রাপ্ত বয়স্ক ১৮ বছরের উর্ধ্বে, সংঘের আদর্শ ও উদ্দেশ্যের প্রতি আস্থাশীল এবং সংঘের গঠনতন্ত্র মেনে চলতে সম্মত এমন বাংলাদেশী নাগরিক এ সংঘের সাধারণ সদস্য পদের যোগ্য বলে গণ্য হবেন।
ধারা-৬. খ)    সদস্য ভর্তির নিয়মাবলীঃ
ধারা-৬.খ.১)    সংঘ কর্তৃক নির্ধারিত আবেদনপত্র যথাযথভাবে পূরণ কওে ১০০/- (একশত টাকা) ভর্তি ফিসহ চেয়ারম্যান/মহাসচিব বরাবরে জমা দিতে হবে।
ধারা-৬ .খ.২)    কার্যকরী পরিষদের সভায় গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী সদস্য পদের আবেদন পত্র মঞ্জুর/খারিজ হবে।
ধারা-৬.খ.৩)    মাসিক চাঁদা ১০০/- (একশত) টাকা হিসাবে পরিশোধ করতে হবে।
ধারা-৬.খ.৪)    মহাসচিব জমাকৃত আবেদন পত্র অনুমোদনের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন এবং অনুমোদন সাাপেক্ষে সদস্য খাতায় লিপিবদ্ধ করবেন।
ধারা- ৭ঃ    সদস্যপদের ধরণঃ
    এই প্রতিষ্ঠানে নি¤œরুপ ৪ (চার) ধরণের সদস্য থাকবেঃ
ধারা-৭.১)       প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
    যাদের উদ্যোগে সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তারাই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।  সাধারণ সদস্যদের ন্যায় তারা মাসিক/বার্ষিক চাঁদা পরিশোধ করবেন। তাদের ভোটাধিকার এবং নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করার ক্ষমতা থাকবে।
ধারা-৭.২)    সাধারণ সদস্য
    সংঘের সকল প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, আজীবন সদস্য এবং ধারা-৬ মোতাবেক সকল সদস্য সাধারণ সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। সাধারণ সদস্যদের ভোটাধিকার এবং যেকোন বিষয়ে জানার অধিকার থাকবে। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহন ও প্রতিদ্ব›িদ্বতা করতে পারবেন।
ধারা-৭.৩)      পৃষ্ঠপোষক সদস্য
    সংঘের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যিনি আর্থিকভাবে কিংবা পরামর্শ প্রদানপূর্বক অবদান রাখবেন, কার্যনির্বাহী পরিশোধের অনুমোদনক্রমে তাকে পৃষ্ঠপোষক সদস্য হিসেবে গণ্য করা যাবে। তবে তার ভোটাধিকার ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষমতা থাকবে না।
ধারা-৭.৪)    আজীবন সদস্য সংঘের আদর্শ, উদ্দেশ্য এবং গঠনতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল হয়ে কেউ এককালীন ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা কিংবা সমপরিমান সম্পদ দান করলে কার্যনির্বাহী পরিশোধের অনুমোদনক্রমে তাকে আজীবন সদস্য হিসেবে গণ্য করা যাবে। তিনি ভোট প্রদান এবং নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করার অধিকার লাভ করবেন। তাকে মাসিক চাঁদা প্রদান করতে হবে না।
ধারা-৮ ঃ    সদস্যপদ বাতিলের নিয়মাবলীঃ
    নি¤œউলেখিত কারণে একজন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হতে পারেঃ-
ধারা-৮. ক)     একাধাওে ০৬ (ছয়) মাস মাসিক চাঁদা প্রদান না করলে।
ধারা-৮. খ)    পরপর তিন সভায় অনুপস্থিত থাকলে।
ধারা-৮. গ)    স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে।
ধারা-৮. ঘ)    আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত হলে।
ধারা-৮. ঙ)    পাগল কিংবা দেউলিয়া সাব্যস্থ হলে।
ধারা-৮. চ)    গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী কোন কার্যকলাপে লিপ্ত হলে।
ধারা-৮. ছ)    সমাজ বিরোধী কোন কাজে অংশগ্রহণ করলে।
ধারা-৮. জ)    সংঘ থেকে বেতন, ভাতা, সম্মানী বা কোন প্রকার আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করলে
ধারা-৮. ঝ)    রাস্ট্র বিরোধী কোন কাজে অংশগ্রহণ করলে।
ধারা-৮. ঞ)    মৃত্যুবরণ করলে।
ধারা-৯ ঃ    সদস্যপদ পুনঃ লাভের পদ্ধতিঃ
    সদস্যপদ হারানোর পর উপর্যুক্ত জবাব লিখিতভাবে চেয়ারম্যান/মহা-সচিব এর কাছে পেশ করতে হবে। চেয়ারম্যান/ মহা-সচিব ঐ জবাব কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন। সভায় ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্য তা অনুমোদন করলে বকেয়া চাঁদা পরিশোধ কওে পুনরায় সদস্যপদ লাভ করা যাবে। 
ধারা-১০ঃ    সাংগঠনিক কাঠামোঃ
    গংঘের ব্যবস্থাপনার জন্য সাংগঠনিক কাঠামো হবে তিনটি-যথাঃ (১) সাধারণ পরিষদ, (২) নির্বাহী পরিষদ এবং (৩) উপদেষ্টা পরিষদ।
ধারা-১০.১।    সাধারণ পরিষদঃ
সংঘের সাধারণ সদস্য, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আজীবন সদস্য সমন্বয়ে এ পরিষদ গঠিত হবে। এ পরিষদের সদস্য সংখ্যার কোন উর্দ্ধসীমা থাকবে না।
ধারা-১০.২।    কার্য নির্বাহী পরিষদঃ
সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ভোটের মাধ্যমে অথবা দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা/নির্বাচনী সভায় উপস্থিত সদস্যদেও সর্বসম্মতিক্রমে ০২ (দুই) বছরের জন্য নি¤েœাক্ত ০৯ (নয়) সদস্য বিশিষ্ট কার্য নির্বাহী পরিষদ গঠন করা হবে। নির্বাহী কমিটির মেয়াদ হবে নির্বাচনের তারিখ হতে ২ (দুই) বছর।
১।    চেয়ারম্যান-                   ১জন
২।    ভাইস চেয়ারম্যান-            ১জন
৩।    মহা-সচিব-                    ১জন
৪।    যুগ্ম-সচিব-                    ১জন
৫।    অর্থ-সচিব-                    ১জন
৬।    তথ্য ও গবেষণা সচিব        ১জন
৭।    সাংগঠনিক সচিব              ১জন
৮।    দপ্তর সচিব                    ১জন
৯।    প্রচার ও প্রকাশনা সচিব      ১জন
                      -------------------------------
                                 ০৯জন
ধারা-১০.৩।    উপদেষ্টা পরিষদ ঃ
কার্যনির্বাহী পরিষদ তাদের পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে সহায়তা করার জন্য একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করবে, যার মেয়াদ হবে ০২ (দুই) বছর।বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সংঘের শুভাকাঙ্খীর সমন্বয়ে এ পরিষদ হঠিত হবে। এ পরিষদের সদস্য থাকবে ০৫(পাঁচ) জন, তাদের ভোটাধিকার থাকবে না।
ধারা-১১ ঃ    সাধারণ পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব ঃ
ধারা-১১.ক)    সংঘের সকল কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করবে।
ধারা-১১.খ)    সংঘের বার্ষিক বাজেট অনুমোদন করবে।
ধারা-১১.গ)    সংঘের নিরীক্ষিত হিসাব অনুমোদন করবে।
ধারা-১১.ঘ)    সংঘের গঠনতন্ত্রের রক্ষক হিসেবে কাজ করবে।
ধারা-১১.ঙ)    সংঘের গঠনতন্ত্রের কোন প্রকার সংশোধনের প্রয়োজন হলে ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যদের অনুমোদনক্রমে তা সংশোধন করবে।
ধারা-১১.চ)    সংঘের বিলোপ সাধনের প্রয়োজন দেখা দিলে ৩/৫ (তিন-পঞ্চমাংশ) সদস্যদের অনুমোদনক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
ধারা-১১.ছ)    সংঘের দূর্যোগ মূহুর্তে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে বিবেচিত হবে।
ধারা-১১.জ)    সংঘের আর্থিক নিয়মনীতি ও চাকুরীবিধি অনুমোদন করবে।
ধারা-১১.ঝ)    তলবীসভা আহবান পূর্বক কার্যনির্বাহী পরিষদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারে।
ধারা-১১.ঞ)    সংঘের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন ও অনুমোদন করবে।
ধারা-১১.১২ঃ    কার্যনির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্বঃ
সংঘের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দৈনন্দিন কার্যাবলী পরিচালনা করা। সাধারণ পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী আয় ও ব্যয় করা। দৈনন্দিন খরচ অনুমোদন করা। বাজেট প্রণয়ন এবং অনুমোদনের জন্য সাধারণ সভায় পেশ করা। অনুমোদিত হিসাব নিরীক্ষা ফার্ম কর্তৃক বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষা করা। সকল কার্যক্রম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী পরিচালনা করা। সংঘের কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করা এবং নিয়োগকৃত কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ও ভাতাদি নির্ধারণ করা এবং তাদের নিয়ন্ত্রণ করা। সংঘের জনবল নিয়োগের বিষয়ে চাকুরী বিধিমালা প্রণয়ন ও সাধারণ পরিষদের অনুমোদন গ্রহণ করা। বিশেষ কার্য সম্পাদনে উপ-কমিটি গঠন করা। সভা করার দিন, তারিখ, সময়, স্থান, এবং এজেন্ডা নির্ধারণ করা। সংঘের সকল হিসাব নিকাশ, খরচের ভাউচার, বই ও ক্যাশ বই করার ব্যবস্থা করা। সংঘের সকল প্রশাসনিক, ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন করা এবং ধারা-৮ অনুযায়ী কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
ধারা-১৩ঃ    প্রশাসনিক ব্যবস্থায় কার্যনির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ
(১)    চেয়ারম্যানঃ
ক) সংঘের চেয়ারম্যান সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) সাধারণ পরিষদ ও কার্যনির্বাহী পরিষদ সভা সমূহে সভাপতিত্ব করবেন।
গ) কোন সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে যদি সমান সংখ্যক ভোট পড়ে তবে কাস্টিং ভোট প্রদান কওে সমস্যার মিমাংসা করবেন।
ঘ) প্রতিষ্ঠানের খরচের অনুমোদন দিবেন।
(২) ভাইস-চেয়ারম্যানঃ
চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ভাইস-চেয়ারম্যান চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন।
     (৩) মহা-সচিবঃ
অবৈতনিক নির্বাহী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সভাপতির সাথে  পরামর্শক্রমে সভার তারিখ, সময়, স্থান ও আলোচ্যসূচী নির্ধারণপূর্বক সভার নোটিশ প্রদান করবেন। সংঘের পক্ষে চিঠিপত্র আদান প্রদান করবেন। সংঘের পক্ষে সরকারি, আদা সরকারি ও দাতা সংঘসমূহের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। কার্যনির্বাহী কর্তৃক গঠিত বিভিন্ন পরিষদের কাজের তদারকি করবেন। সংঘের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। 
      (৪) যুগ্ম মহা-সচিবঃ
          তিনি মহা-সচিবের অনুপস্থিতিতে তার সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
        (ক) সংঘের সকল প্রকার আর্থিক বিষয়ক দায়িত্ব পালন করবেন।
        (খ) আয়-ব্যয় হিসাব ক্যাশ বইতে উঠানোর ব্যবস্থা করবেন।
        (গ) সংঘের খরচ, বিলের ভাউচার ও সদস্যদের চাঁদার হিসাবসহ সকল প্রকার আর্থিক             হিসাবপত্র সংরক্ষণে ব্যবস্থা করবেন।
        (ঘ) সংঘের মাসিক ও বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং অডিট রিপোর্ট করানোর জন্য             সকল প্রকার প্রস্তুতি তিনি গ্রহণ করবেন।
        (ঙ) ব্যাংকে টাকা জমাদান এবং ব্যাংক থেকে টাকা উাত্তোলনের ব্যবস্থা করবেন।
        (৬) দপ্তর সচিবঃ কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক তাঁদের উপর অর্পিত দায়িত্ব এবং সংস্থার             দাপ্তরিক সকল দায়-দায়িত্ব পালন করবেন।

        (৭) তথ্য ও গবেষনা সচিবঃ 
               কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক তাঁদের উপর অর্পিত দায়িত্ব এবং সংস্থার বিভিন্ন গবেষনা
          মূলক কার্যক্রমসহ সকল তথ্যাদি ও দায় দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা-১৪ঃ    সংঘের শাখাঃ নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ঢাকা জেলার বাহিরে সংঘের শাখা অফিস খোলা যাবে।
ধারা-১৪.ক)    শাখা পরিষদ গঠন ও কাঠামোঃ বিভিন্ন জেলা/উপজেলা/থানা/ ওয়ার্ড/ইউনিয়ন/মহল্লায় সংঘের শাখা অফিস খুলতে পারবে। প্রতিটি জেলায় ০৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট একটি জেলা পরিষদ থাকবে। জেলা শাখা পরিষদের সদস্যরা হবেন সভাপতি-১জন, সহ-সভাপতি-১জন, সাধারণ সম্পাদক-১জন, কোষধ্যক্ষ-১জন, এবং সদস্য-১জন মোট ০৫ জন।

ধারা-১৪.খ)    শাখা পরিষদ সমূহের দায়িত্ব কর্তব্য ও সুবিধাঃ শাখা পরিষদ সংঘের কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গৃহীত কার্যাদি বাস্তবায়ন করবে। শাখা পরিষদ তাদের সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট জবাবদিহি করতে হবে। কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক অনুমোদন ছাড়া শাখা পরিষদ অতিরিক্ত কোন কার্যাদি সম্পন্ন করতে পারবেন না। কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত সুযোগ শাখা পরিষদ ভোগ করবেন।

ধারা-১৪.গ)    শাখা সমূহের কার্যক্রম স্থগিতঃ কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে কোন সময় যেকোন শাখা পরিষদের কার্যক্রম কোনরুপ জবাবদিহিতা ছাড়াই স্থগিত করা যাবে। এ ব্যাপারে শাখা পরিষদের কোন প্রকার দায় দায়িত্ব থাকবে না। কার্যনির্বাহী পরিষদ কোন শাখার কার্যক্রম স্থগিত করলে উক্ত শাখা স্থগিতের কারণ উল্লেখ করে ৩০ দিনের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে। 

ধারা-১৪.ঘ)    কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক শাখা পরিষদ নিয়ন্ত্রণঃ কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নে বরাদ্দকৃত বাজেট অনুযায়ী শাখা পরিষদ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বাধ্য থাকবে। শাখা পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে সাধারণ পরিষদের সদস্য হতে পারবেন। 

ধারা-১৫ঃ    নির্বাচন পদ্ধতিঃ
ধারা-১৫.১)    সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ভোটের মাধ্যমে অথবা সর্বসম্মতিক্রমে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা বা নির্বাচনী সভার মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করতে হবে।
ধারা-১৫.২)    কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল শেষ হওয়ার ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিন পূর্বে সাধারণ পরিষদের সভার সিদ্ধান্তক্রমে ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। এদের মধ্যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অপর দুইজন সহকারী নির্বাচন কমিশনার থাকবে।
ধারা-১৫.৩)    কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না এমন সদস্য অথবা সংঘের সদস্য নন এমন গণ্যমান্য ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনের সদস্য হবেন।
ধারা-১৫.৪)    নির্বাচন কমিশন ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহন করবেন
ধারা-১৫.৫)    দুই প্রার্থী নির্বাচনে সমান সংখ্যক ভোট পেলে লটারীর মাধ্যমে ফলাফল চুড়ান্ত করা হবে।
ধারা-১৫.৬)    বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদ নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
ধারা-১৫.৭)    নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনুমোদনের জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে এবং নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।
ধারা-১৬ঃ    সভাসমূহঃ
ধারা-১৬.ক)    সাধারণ পরিষদের সভাঃ সাধারণ সভা প্রতি এক বছর পর পর অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ দিনের মধ্যে নোটিশে এবং মোট সদস্যদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)- এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।
ধারা-১৬.খ)    কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাঃ 
কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা বছরে কমপক্ষে ৪ চার টি করতে হবে। ৭ (সাত) দিন পূর্বে তারিখ, সময়, স্থান ও এজেন্ডাসহ নোটিশ প্রদান করতে হবে। সভার কোরাম পূর্ণ হবে মোট সদস্যদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে। 

ধারা-১৬.গ)    জরুরী সভা ঃ সাধারণ সভা ৩ (তিন) দিনের নোটিশে আহবান করা যাবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে এবং কার্যকরী পরিষদের সভা ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার নোটিশে আহবান করা যাবে। মোট সদস্যদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)- এর উপস্থিতিতে কোরাম হবে।
ধারা-১৬.ঘ)    বিশেষ সাধারণ সভা ঃ
যে কোন বিশেষ কারণে সভা ০৭ (সাত) দিনের নোটিশে আহবান করা যাবে। তবে এ সভায় বিশেষ এজেন্ডা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। বিশেষ এজেন্ডার উদ্দেশ্য লিপিবদ্ধ করে যথারীতি নোটিশ প্রদান করতে হবে। মোট সদস্যদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।
ধারা-১৬.ঙ)    তলবী সভা ঃ
১। চেয়ারম্যান/মহাসচিব গঠনতন্ত্র মোতাবেক সভা আহবান না করলে কমপক্ষে মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্য বিশেষ সাধারণ সভা কর্মসূচীর (এজেন্ডা) বা উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে স্বাক্ষর দান করত ঃ তলবী সভার আবেদন সংঘের চেয়ারম্যান, মহাসচিবের কাছে জমা দিতে পারবেন।
২। চেয়ারম্যান/মহাসচিব তলবী সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে তলবী সভার আহবান না করলে তলবী সদস্যবৃন্দ পরবর্তী মাসে ১৫ (পনের) দিনের নোটিশে সভা আহবান করতে পারবেন। তবে তলবী সভা সংঘের অফিসে ডাকতে হবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।

ধারা-১৬.চ)    মূলতবী সভা ঃ
১। সাধারণ সভার নির্ধারিত সময়ের সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) মিনিট বিলম্বে সভা করা যাবে অন্যথায় স্থগিত করতে হবে।
২। সাধারণ সভা কোরামের অভাবে স্থগিত করলে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পরবর্তী সভার নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং ঐ স্থগিত সাধারণ সভা  কোরাম না হলে যতজন সদস্য উপস্থিত থাকবেন তাঁদের নিয়েই সভা অনুষ্ঠিত হবে ও তাঁদের মতামত চূড়ান্ত করা হবে।
৩। কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা দুইবার কোরামের অভাবে স্থগিত হলে তৃতীয়বার উপস্থিত সদস্যদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।
ধারা-১৭ ঃ    শুন্য পদ পূরণ ঃ
সাধারণ পরিষদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যদের সিদ্ধান্তক্রমে কার্যনির্বাহী পরিষদের শুন্যপদ অবশ্যই পূরণ করা হবে এবং নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর তা কার্যকরী হবে।
ধারা-১৮ ঃ    আর্থিক ব্যবস্থাপনা ঃ
ধারা-১৮.ক)    সদস্যদের চাঁদা ও অনুদান, দানশীল ব্যক্তির দান, সরকারী/বেসরকারী, দেশী/বিদেশী দাতা সংঘ, ব্যক্তির অনুদান বা ব্যাংক ঋন ও অন্যান্য উৎসের আয়ই সংঘের আয় বলে বিবেচিত হবে।
ধারা-১৮.খ)    সংঘের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে যে কোন ব্যাংকে সংঘের নামে একটি সঞ্চয়ী/চলতি হিসাব খুলতে হবে।
ধারা-১৮.গ)    উক্ত সঞ্চয়ী/চলতি হিসাবটি সংঘের চেয়ারম্যান, মহাসচিব এবং অর্থ-সচিব এই তিন জনের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে। এ ক্ষেত্রে মহা-সচিবের সাথে চেয়ারম্যান অথবা অর্থ সচিব যে কোন এক জনের যৌথ স্বাক্ষওে ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন করা যাবে।
ধারা-১৮.ঘ)    সংঘের নামে সংগৃহীত অর্থ কোন অবস্থাতেই হাতে রাখা যাবে না। অর্থ প্রাপ্তির সাথে সাথে নগদ অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
ধারা-১৮.ঙ)    সংঘের দৈনন্দিন কাজ পরিচালনার জন্য মহাসচিব যথাযথ ভাউচারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় করতে পারবেন।
ধারা-১৮.চ)    অর্থ খরচের পর খরচকৃত অর্থ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদন নিতে হবে এবং বাৎসরিক সাধারণ সভায় সকল খরচের অনুমোদন এবং বাজেট পেশ ও অনুমোদন করে নিতে হবে।

ধারা-১৯ ঃ    অডিট ঃ
সংঘের সকল হিসাব নিকাশ সরকার অনুমোদিত এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর তালিকাভূক্ত যে কো হিসাব সংঘ (অডিট ফার্ম) বা সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তা দ্বারা হিসাব নিরীক্ষা বার্ষিক ভিত্তিতে হবে। নিরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ বরাবওে প্রেরণ করতে হবে।

ধারা-২০ ঃ    বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান বিষয়ক ঃ
সংঘটি বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে ১৯৭৮ সালের ফরেন ডোনেশন অধ্যাদেশের বিধি বিধান অনুসরণ করবে। বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে সংঘটি সরকারের যে কোন একটি সিডিউল ব্যাংকে হিসাব পরিচালনা করবে।

ধারা-২১ ঃ    তহবিল বৃদ্ধি ঃ
সংঘের তহবিল বৃদ্ধিতে যে কোন প্রকল্প/কর্মসূচী/অনুষ্ঠান নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে পরিচালনা করা যাবে এবং গৃহীত প্রকল্প/কর্মসূচী/অনুষ্ঠান শেষে আয় ও ব্যয়ের পূর্ণ হিসাব নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করা হবে।

ধারা-২২ ঃ    সংঘের কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ ঃ 
সংঘের কার্যভার সুষ্ঠভাবে পরিচালনার স্বার্থে কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারী  নিয়োগ করতে হবে। নিয়োগকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ভাতা চাকুরীর শর্তাবলী ও চাকুরী হতে বরখাস্তের বিষয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ধারা-২৩ ঃ    গঠনতন্ত্রের সংশোধন পদ্ধতি ঃ
গঠনতন্ত্রের যে কোন বিষয়ের উপর সংশোধনী আনয়নের জন্য সংশোধিত অনুচ্ছেদের উপর সংঘের মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যের অনুমোদন গ্রহণের পর তা চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করতে হবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হলে সংশোধনী কার্যকরী বলে বিবেচিত হবে।

ধারা-২৪ ঃ    আইন ও বিধির প্রাধান্য ঃ
অত্র গঠনতন্ত্রে যা কিছু উল্লেখ থাকুক না কেন সংঘটি ১৯৬১ সনের ৪৬ নং অধ্যাদেশের আওতায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে। অন্যান্য কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকরী হবে।

ধারা-২৫ ঃ    সংঘের বিলুপ্তি ঃ
যদি কোন সুনির্দিষ্ট কারণে সংঘের পাঁচভাগের তিনভাগ সদস্য সংঘের বিলুপ্তি চান তবে যথানিয়মে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ বরাবরে আবেদনের পর নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। বিলুপ্তিকালে সংঘের কোন দায় দেনা থাকলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগন ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।